Breaking News

ডিম, আলু ও ময়দা দিয়ে বানিয়ে ফেলুন মোগলাই পরোটা, রইল রেসিপি

বাঙালি বরাবরই ভোজন রসিক। বাঙালি যেমন মানুষকে খাওয়াতে ভালোবাসেন তেমনি নিজেও খেতে ভালোবাসেন। নিরামিষ থেকে শুরু করে আমিষ। মোগলাই থেকে শুরু করে চাইনিজ সমস্তকিছুই বাঙালির রান্নাঘরে মেনুতে থাকে। এমন কোনো পদ নেই যা বাঙালিরা রান্না করতে পারে না। তারা সমস্ত রকম কুইজিন খাবার রান্না করতে পারদর্শী।

তবে রাস্তার ধারে জাঙ্কফুড কার না পছন্দ এক ঘেঁয়ে ঘরের খাবার খেতে খেতে মুখ পচে গেলে সবারই বাইরের একটু মুখরোচক খাবার চেখে দেখার ইচ্ছে হয়। আর সেই মুখরোচক খাবার যদি হয় মোগলাই তাহলে তো কথাই নেই, বাঙালি একপায়ে রাজি। শুধু বাঙালি কেন আমাদের দেশের সকলেই প্রায় মোগলাই খাবার খেতে পছন্দ করেন। সেই মোগলাই খাওয়ার এর মধ্যে অন্যতম একটি হলো মোগলাই পরোটা।

তবে বর্তমান সময়ে করোনা পরিস্থিতির কারণে আমাদের বিভিন্ন নিয়মবিধি মেনে চলতে হচ্ছে। অনেকটা সাবধানতা অবলম্বন করতে হচ্ছে আমাদের। বাইরের খাবার যতটা পারা যায় এড়িয়ে চলতে হচ্ছে। কিন্তু এখন যদি খেতে মন চায় তাহলে আর কী করা যাবে। তাই ঝটপট বাড়িতেই যদি মোগলাই পরোটা বানাতে পারেন তাহলে কেমন হতো? চলুন আজ আপনাদের সেই মোগলাই পরোটা শেখাবো। কি করে বাড়িতেই সহজ পদ্ধতিতে নিজেরই আপনারা বানিয়ে নিতে পারবেন মোগলাই।

আপনার রান্নাঘরে মোগলাই পরোটা বানানোর জন্য আপনি উপকরণগুলি পেয়ে যাবেন। উপকরণ – ময়দা, নুন, সাদা তেল, আলু, পেঁয়াজ, ডিম, কাঁচা লঙ্কা, ধনে গুঁড়ো, গরম মসলা, ও ধনেপাতা

প্রণালী – প্রথমে ময়দার মধ্যে সাদা তেল দিয়ে ভাল করে ময়দার মিশ্রনটিকে মাখিয়ে একটি নরম ডো বানিয়ে নিন। ভালোভাবে ময়দা মাখা হয়ে গেলে সেই ডো টি পনেরো থেকে কুড়ি মিনিট মতো ঢাকা দিয়ে রেখে দিন। এরপর মোগলাই পরোটার ভেতরের পুর বানানোর জন্য দুটো বড় সাইজের আলু সিদ্ধ করে গ্রেট করে নিন। সাথে দুটো সিদ্ধ ডিম গ্রেড করে দিন, তারপর তাতে যোগ করুন পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, লঙ্কা কুচি, ধোনের গুঁড়ো, গরম মসলার গুঁড়ো ইত্যাদি। ভালো করে মিশ্রনটিকে মেখে নিন।

এরপর সেই ময়দান থেকে গোল্লা পাকিয়ে যতটা সম্ভব পাতলা করে সেই ডো টিকে বেলে নিতে হবে। এরপরই সেই পাতলা পরোটার মাঝখানে ভালো করে সেই মিশ্রণটি দিয়ে মুড়িয়ে নিতে হবে। এর পরে গরম গরম সাদা তেলে ভেজে নিলেই তৈরি হয়ে যাবে বাড়িতে সুস্বাদু মোগলাই পরোটা।

About admin

Check Also

প্রায় ৩০ বছর ধরে ভাত না খেয়েই দিন পার করছেন আবির চাঁন। রইলো বিস্তারিত

কথায় আছে, মাছে-ভাতে বাঙালি। একবেলা মাছ-ভাত ছাড়া যেন বাঙালিরা চলতেই পারে না। কিন্তু মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *