Breaking News

ঘরে বসে আজই শুরু করুন ১২ মাস চলা এই ব্যবসা, বছরে আয় ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা

বর্তমানে চাকরির আশা ছেড়ে দিয়ে বেশিরভাগ যুবকই ব্যবসার দিকে ঝুঁকেছেন। তারা এখন স্টার্টআপ শুরু করতে বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে, আপনি যদি সেরা উপার্জনকারী একটি স্টার্টআপ আইডিয়া খুঁজছেন, তাহলে আপনি ন্যাপকিন পেপার এর ব্যাবসা আইডিয়া শুরু করতে পারেন। দেশে ন্যাপকিন পেপার এর চাহিদা রয়েছে প্রচুর। নিত্তনৈমিত্তিক ঘরের কাজে ব্যবহার করা হয় ন্যাপকিন। যা বানাতে তেমন খরচও হয় না আবার ক্ষতির জন্য ব্যবসা থেমে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে না।

তবে কিভাবে এই টিস্যু পেপার তৈরির ব্যবসা শুরু করবেন?

ভারতের প্রায় প্রতিটি শহর এবং বাড়িতে ন্যাপকিন পেপার ব্যবহার করা হয়, যা নোংরা হাত পরিষ্কার থেকে খাবারের দাগ পরিষ্কার সবেতেই প্রয়োজন হয়। এই কারণে হোটেল, রেস্তোরাঁ এমনকি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা খাবারের গাড়িতেও ব্যাপক ব্যবহার হয় টিস্যু পেপার এর। আর এত ব্যবহারের কারণে ধীরে ধীরে বাড়ছে এর চাহিদা।

এরকম সময়ে স্টার্টআপ শুরুর কথা ভাবলে ন্যাপকিনের ব্যবসা একটি অসাধারণ ভাবনা। কম খরচে এর চেয়ে ভালো ব্যবসা আর কিছু হয় না। খুব ভালো মানের টিস্যু থেকে সস্তার, অনেক ধরনের পাওয়া যায় এই পেপার। তবে উৎপাদন শুরুর জন্য প্রথমেই কিনতে হবে মেশিন।

টিস্যু পেপার তৈরির মেশিন

টিস্যু পেপার তৈরির কাজ শুরু করলে কিনতে হবে মেশিন। এই মেশিনের দাম শুরু হয় ৫ লক্ষ টাকা থেকে। তবে এই মেশিন আধা-স্বয়ংক্রিয় এবং ন্যাপকিন তৈরি করতে প্রয়োজন শ্রমিকের। এই মেশিনের সাহায্যে আপনি ৪ থেকে ৫ ইঞ্চি আকারের টিস্যু পেপার তৈরি করতে পারেন। প্রতি ঘন্টায় ১০০ থেকে ৫০০টি টিস্যু পেপার তৈরি করা সম্ভব। তবে শ্রমিক ছাড়াই রয়েছে পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় মেশিন। তবে এই মেশিনের দাম ১০ থেকে ১১ লক্ষ টাকা। এই মেশিন কেনার জন্য যদি টাকা না থাকে তবে ব্যাংক থেকে লোন নিয়েও শুরু করা যেতে পারে এই ব্যবসা।

ভারতে ক্রমেই টিস্যু পেপারের ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠছে। তবে এর অন্যতম কারণ হল বাজারে এর ক্রমবর্ধমান চাহিদা। এমতাবস্থায় ন্যাপকিন পেপার তৈরির ব্যবসা শুরু করলে সহজেই বছরে ১.৫০ লাখ কিলোগ্রাম টিস্যু পেপার উৎপাদন করা যায়। বর্তমানে বাজারে ১ কেজি টিস্যু পেপারের দাম ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, ভালো মানের কাগজ বিক্রি হয় ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। এমন পরিস্থিতিতে, আপনার টিস্যু পেপার তৈরির ব্যবসার বার্ষিক টার্নওভার সহজেই ছড়িয়ে যেতে পারে ১ কোটি টাকা।

এছাড়া কাঁচামাল, মেশিনের খরচ, ঋণের কিস্তি, কারিগরদের বেতন, জায়গার ভাড়া এবং বিদ্যুৎ বিল ইত্যাদি বাদ দিয়ে প্রতি বছর সহজেই ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব। ক্রমবর্ধমান বাজারে টিস্যুর চাহিদা ক্রমেই বেড়ে যাবে, তাই এই ব্যবসায় সহজেই লাভের মুখ দেখতে পাবেন ব্যবসায়ীরা।

About admin

Check Also

অন্ধত্ব হয়েও জিপিএ ফাইভ পেলেন হরিবল

এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অন্ধত্বকে পিছনে ফেলে জিপিএ ফাইভ পেলেন মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র হরিবল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *