এবার সামনে এলো সিনহা হ’’ত্যা’’র আগের ও পরের ঘটনা

    অনলাইন ডেস্ক: বাহারছড়া শামলাপুর পু’’লি’শ চেকপোস্টে শুরুতেই মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন পরিদর্শক লিয়াকত আলী।

    এমনকি অকথ্য ভাষায় গালাগালির পর টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপের পরামর্শে সিনহাকে হ’’ত্যা’ করেন তিনি।

    সিনহা মামলার এজাহারে এমনটাই উল্লেখ করেন নিহতের বড় বোন শারমিন শাহরিয়া।

    তিনি দাবি করেন, সিনহার নিহতের পরও শরীর-মুখে কয়েকটি লাথি মারেন ওসি প্রদীপ। চেহারা বিকৃত করতে ওসি তার পায়ের বুট দিয়ে মুখে আঘাত করেন।

    সিনহার বড় বোন শারমিন বলেন, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপের নির্দেশেই সিনহাকে নি’’হ’ত করেন পরিদর্শক লিয়াকত।

    খুব ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পিতভাবেই তাকে নি’’হ’ত করে আসামিরা। এটি ধামাপাচা দিতে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন।

    ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী, সাক্ষী ও স্থানীয়দের কাছ থেকে নি’’হ’তে’’র ঘটনার বিস্তারিত জেনেছি।

    সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা বেরিয়ে আসুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়- সিনহা স্বাভাবিকভাবে দুই হাত উঁচু করে গাড়ি থেকে বের হন।

    লিয়াকত ক্ষেপে আরও গালি দিতে দিতে বলেন- তোর মতো বহু মেজর আমি দেখছি, এইবার খেলা দেখামু।

    একটু পাশে গিয়ে লিয়াকত টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে কল করেন, পরামর্শ করেন। কথোপকথনের একপর্যায় লিয়াকত মোবাইলে ওসিকে বলে- ঠিক আছে, শেষ কইরা দিতাছি। ফোন রাখার পরই…

    জীবন বাঁচাতে ঘটনাস্থল থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে কনস্টেবল সাফানুল করিম ও মো. মোস্তফা তাকে মাটির সঙ্গে শক্তভাবে চেপে ধরেন। এরপর সিনহার নি’’হ’ত’ নিশ্চিত করেন লিয়াকত।

    এর পরপরই ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনান্থলে এসে সিনহার শরীর ও মুখে কয়েকটি লাথি মারেন।

    আর/

    Facebook Comments
    SHARE